শনিবার ৪ঠা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | রাত ৩:০৯
আপডেট
আশার দুই বিভাগীয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সাভার থানা ছাত্রদলের সম্পাদক সামির বহিষ্কার সাভার ১৪তম গ্রেডের কর্মচারীর ‘কোটিপতি’ জীবন! রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: কিয়েভে নিহত ৪, আহত চার শতাধিক দেশের ১০ জেলায় তাপপ্রবাহের পাশাপাশি তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস কক্সবাজার আদালতে বিএনপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, আহত ১ ঈদকে সামনে রেখে সীমান্তে চোরাচালান বেড়েছে, কঠোর নজরদারিতে বিজিবি দেশে ৪ মাসে ১১৮ কন্যাশিশু ধর্ষণ ১৭ খুন — শিশু নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ গাছের সঙ্গে বাঁধা দেহ, পাশে পড়ে ছিল বিচ্ছিন্ন মাথা ঐতিহাসিক কীর্তি: পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ
Home / বাংলাদেশ / চট্টগ্রাম / ঘটনার ১১ মাস পরও ৯ হাজার ৯০৬ অক্ষত কার্টন পণ্যে ধোঁয়ার গন্ধ

ঘটনার ১১ মাস পরও ৯ হাজার ৯০৬ অক্ষত কার্টন পণ্যে ধোঁয়ার গন্ধ

এশিয়ান বার্তা ডেস্ক:- ঘটনার ১১ মাস পরও হাজার ৯০৬ কার্টন পণ্য থেকে এখনো ধোঁয়ার গন্ধ বিদ্যমান। অক্ষত কিন্তু ব্যবহার উপযোগী এসব পণ্যের মূল্য লাখ ৭০ হাজার ৩৮৫ ডলার। ধোঁয়ায় আংশিক ক্ষতি হয়েছে ৮৭৯ কার্টন পণ্য যার মূল্য ৯৭ হাজার ৪৬৩ ডলার।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় দুই কোটি ডলার সমমূল্যের (২১২ কোটি টাকা) রপ্তানি পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিএম ডিপোতে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডের ফলে রপ্তানি পণ্যের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ বিষয়ক প্রতিবেদন সূত্রে তথ্য জানা গেছে। ২০২২ সালের জুন রাতে সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

প্রতিবেদনে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত, আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত অক্ষত তিন ভাগে রপ্তানি পণ্যের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত রপ্তানিকারকরা ইনস্যুরেন্সসহ বিভিন্ন খাতে আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন বলে বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

তদন্ত প্রতিবেদন তৈরিতে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের যুগ্ম কমিশনার মুশফিকুর রহমানকে আহ্বায়ক উপকমিশনার মো. শরফুদ্দিন মিঞাকে সদস্য সচিব করে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। অন্যরা হলেন বিজিএমইএর সহসভাপতি রাকিবুল আলম চৌধুরী, বিএম কন্টেইনার ডিপোর উপব্যবস্থাপক মো. নুরুল আক্তার, বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো অ্যাসোসিয়েশনের (বিকড়া) মহাসচিব মো. রুহুল আমিন শিকদার, ঢাকা কাস্টম বন্ড কমিশনারেটের উপকমিশনার কাজী রায়হানুজ্জামান চট্টগ্রাম কাস্টম বন্ড কমিশনারেটের উপকমিশনার মো. কাউছার আলম পাটোয়ারী। প্রতিবেদনে বলা হয়, আগুনে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত, আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত, সম্পূর্ণ অক্ষত গেট আউট রপ্তানিতব্য পণ্যের পরিমাণ ছিল কোটি লাখ ১৪ হাজার ৩৪ ডলার। এসব পণ্যের বিপরীতে প্রস্তুত হয়েছে ২৬৮৯টি শিপিং বিল।

এতে সিএফএস (সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত) পণ্য ছিল লাখ ২৬ হাজার ৬২৪ কার্টন পণ্য, স্টাফড কন্টেইনার (সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত) লাখ হাজার ৭৬৮ কার্টন পণ্য, স্টাফড কন্টেইনার (আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত) ১০ হাজার ৭৮৫ কার্টন পণ্য , সিএফএস (সম্পূর্ণ অক্ষত) ৬৩ হাজার ৯২৭ কার্টন পণ্য, স্টাফড কন্টেইনার (সম্পূর্ণ অক্ষত) লাখ ৬৪ হাজার ৬২৬ কার্টন পণ্য অক্ষত পণ্যবাহী কাভার্ড ভ্যানে ছিল ১০ হাজার ৪৭ কার্টন পণ্য। প্রতিবেদনে বলা হয়, সিএফএস শেডে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত পণ্যের ইনভয়েস মূল্য কোটি সাত লাখ ৭৮ হাজার ১০৩ ডলার। স্টাফড কন্টেইনারে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত পণ্যের ইয়েস মূল্য ৭৮ লাখ ১৫ হাজার ৫১৭ ডলার। স্টাফড কন্টেইনারে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত পণ্যের ইনভয়েস মূল্য লাখ ৭০ হাজার ৮৪৮ ডলার। সিএফএস শেডে মজুদকৃত ৬২ লাখ ৩২ হাজার ১৭১ ডলারের পণ্য সম্পূর্ণ অক্ষত। স্টাফড কন্টেইনারে কোটি ২৪ লাখ ৯৬ হাজার ৭৪২ ডলারের পণ্য সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় দেখানো হয়েছে। এছাড়া পণ্যবাহী কাভার্ডভ্যানের ২৬ লাখ ২০ হাজার ৬৫০ ডলারের পণ্য অক্ষত দেখানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*