সোমবার ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ভোর ৫:০৮
আপডেট
কলকাতার হোটেলে আগুনে নিহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত ডিবি (উত্তর) বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ও ফেন্সিডিলসহ ৬ জন গ্রেপ্তার ডিবির বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি ও স্বর্ণালংকার নেওয়ার অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে ১ হাজার লিটার চোলাইমদ ও ১০০ ইয়াবাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ছয় মাসে ডিবির (উত্তর) বিশেষ অভিযানে ৬০৩ গ্রেপ্তার, জব্দ কোটি টাকার মাদক, অস্ত্র ও যানবাহন ডিবির পৃথক অভিযানে ডাকাত চক্রের ৯ সদস্যসহ ১৪ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও দুটি গাড়ি জব্দ আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্তে জমি বৈধ দাবি, কালবেলার প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান সানভিউ টাওয়ার্সের আশার দুই বিভাগীয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সাভার থানা ছাত্রদলের সম্পাদক সামির বহিষ্কার
Home / আইন ও অপরাধ / দেশে ৪ মাসে ১১৮ কন্যাশিশু ধর্ষণ ১৭ খুন — শিশু নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

দেশে ৪ মাসে ১১৮ কন্যাশিশু ধর্ষণ ১৭ খুন — শিশু নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

এশিয়ান বার্তা ডেস্কঃ- দেশজুড়ে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে কন্যাশিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা। চলতি বছরের প্রথম চার মাস ২০ দিনে সারাদেশে অন্তত ১১৮ কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। একই সময়ে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ১৪ শিশুকে এবং ধর্ষণচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে হত্যা করা হয়েছে আরও তিন শিশুকে। এমন নির্মম ঘটনাগুলো শিশু নিরাপত্তা ও সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।

মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এর তথ্য অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২০ মে পর্যন্ত ৪৬ শিশু ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়েছে। এছাড়া ধর্ষণের শিকার দুই শিশু আত্মহত্যা করেছে। একই সময়ে বিভিন্ন ঘটনায় জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ১১৫ শিশু হত্যার শিকার হয়েছে।

সাম্প্রতিক কয়েকটি আলোচিত ঘটনা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শিশুরা প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন কিংবা পরিচিত ঘনিষ্ঠজনদের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ফলে পরিবার ও সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকারকর্মীদের মতে, শুধু ব্যক্তিগত অপরাধপ্রবণতা নয়, দীর্ঘদিনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অবক্ষয়ও এ ধরনের ঘটনার পেছনে বড় কারণ। মাদকাসক্তির বিস্তার, অনলাইনভিত্তিক বিকৃত কনটেন্টের সহজলভ্যতা, পরিবার ও শিক্ষাব্যবস্থায় নৈতিক শিক্ষার অভাব এবং অপরাধ করেও সহজে পার পেয়ে যাওয়ার প্রবণতা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলছে।

তারা বলছেন, শিশু নির্যাতন ও হত্যার মামলাগুলোর বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘ হওয়ায় অনেক ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার নিয়ে শঙ্কায় থাকে। তাই দ্রুত বিচার, কঠোর শাস্তি এবং শিশু সুরক্ষায় কার্যকর সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*