বৃহস্পতিবার ২১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ভোর ৫:২৬
আপডেট
ঐতিহাসিক কীর্তি: পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ অক্সিজেন পাইপ খোঁজার মধ্যেই থেমে গেল সুরাইয়ার জীবন জাবিতে ধর্ষণচেষ্টার বিচার দাবিতে জাকসুর বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ জাবিতে ফের নারী শিক্ষার্থী হেনস্তা: রাতভর বিক্ষোভে উত্তাল ক্যাম্পাস হাইকোর্টে রিট, ড. ইউনূসসহ ২৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রধানমন্ত্রীর মানবিক খোঁজে আবেগাপ্লুত খাদিজার পরিবার ২৭ মে সৌদি আরবে ঈদুল আজহা দেশের ৮ বিমানবন্দর, ৬ রেলস্টেশন ও ৪ আন্তঃনগর ট্রেনে ফ্রি ওয়াইফাই চালু সীতাকুণ্ডে ছাত্রলীগ নেতা জিলহানকে কুপিয়ে জখম, ঢাকায় চিকিৎসাধীন চট্টগ্রাম মহাসড়কে মা নিজের জীবন দিয়েও বাঁচাতে পারলেন না সন্তানকে
Home / খেলাধুলা / ঐতিহাসিক কীর্তি: পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

ঐতিহাসিক কীর্তি: পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

এশিয়ান বার্তা ডেস্কঃ- প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে শক্তিশালী পাকিস্তানকে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। সিলেট টেস্টে ৭৮ রানের দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়ে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

বুধবার জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমে রিজওয়ান ও সাজিদ দ্রুত রান তুলতে থাকেন। একসময় এই জুটি বাংলাদেশের জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে শরীফুল ইসলামের আঘাতে ভাঙে পাকিস্তানের আশা। ৯৪ রানে গালিতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান রিজওয়ান। সেঞ্চুরি বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি দলের হারও তখন অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায়।

এর আগে মিরপুরে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টেও বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল টাইগাররা। ফলে পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা চার টেস্ট জয়ের নতুন রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ। নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে আর কোনো দলের বিপক্ষে এত টানা জয় পায়নি বাংলাদেশ দল।

এরপর বিপজ্জনক হয়ে ওঠা সাজিদ খানকে (২৮) ফিরিয়ে স্বস্তি ফেরান তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি এই স্পিনারের বলে স্লিপে ক্যাচ দেন সাজিদ। দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট শিকার করে ম্যাচসেরা পারফরম্যান্সও দেখান তাইজুল। শেষ পর্যন্ত ৯৮তম ওভারে খুররম শাহজাদ আউট হলে ৩৫৯ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তানের ইনিংস। তাতেই নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়।

৪৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিন শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৭ উইকেটে ৩১৬ রান। ক্রিজে ছিলেন ফর্মে থাকা মুহাম্মদ রিজওয়ান (৭৫*) ও সাজিদ খান (৮*)। হাতে ছিল আরও একটি পুরো দিন ও তিন উইকেট। ফলে শেষ দিনে ম্যাচে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে এই জয় নতুন এক মাইলফলক হয়ে থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*