শনিবার ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | সকাল ৭:৩০
আপডেট
সাভার ১৪তম গ্রেডের কর্মচারীর ‘কোটিপতি’ জীবন! রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: কিয়েভে নিহত ৪, আহত চার শতাধিক দেশের ১০ জেলায় তাপপ্রবাহের পাশাপাশি তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস কক্সবাজার আদালতে বিএনপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, আহত ১ ঈদকে সামনে রেখে সীমান্তে চোরাচালান বেড়েছে, কঠোর নজরদারিতে বিজিবি দেশে ৪ মাসে ১১৮ কন্যাশিশু ধর্ষণ ১৭ খুন — শিশু নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ গাছের সঙ্গে বাঁধা দেহ, পাশে পড়ে ছিল বিচ্ছিন্ন মাথা ঐতিহাসিক কীর্তি: পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ অক্সিজেন পাইপ খোঁজার মধ্যেই থেমে গেল সুরাইয়ার জীবন জাবিতে ধর্ষণচেষ্টার বিচার দাবিতে জাকসুর বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ
Home / লিড নিউজ / সুস্থ থাকার জন্য কী কী করা উচিত

সুস্থ থাকার জন্য কী কী করা উচিত

এশিয়ান বার্তা ডেস্ক:- সুস্থ দেহ,সুস্থ মন।দেহ ও মনের সুস্থতা জরুরি।শরীর অসুস্থ থাকলে মনও অসুস্থ হয়ে যাবে। তাই সুস্থ থাকার জন্য আমাদের জীবনযাপন পদ্ধতির পরিবর্তন জরুরি। সেই সঙ্গে জরুরি সুস্থ চিন্তা করা। আজ আমরা একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছ থেকে জানব,সুস্থ থাকার জন্য একজন মানুষের কী কী করা উচিত। নিয়মিত স্বাস্থ্যবিষয়ক অনুষ্ঠান স্বাস্থ্য প্রতিদিনের একটি পর্বে সুস্থতা ও ফিট থাকার রহস্য নিয়ে কথা বলেছেন ডা.ঝুমু খানস লেজার মেডিকেলের কনসালটেন্ট ডা.ঝুমু খান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছেন পুষ্টিবিদ নুসরাত জাহান দীপা। ট্রিটমেন্ট প্রসিডিউরে যাওয়ার আগে সুস্থ থাকার জন্য একজন মানুষের কী কী করা উচিত,সঞ্চালকের এ প্রশ্নের জবাবে ডা.ঝুমু খান বলেন,সুস্থ থাকার জন্য ডিসিপ্লিন শব্দটা একজন মানুষের দৈনন্দিন রুটিনে নিয়ে আসতে হয়।একজন সুস্থ থাকতে চাচ্ছে,ভালো থাকতে চাচ্ছে,তার প্রিভেনশন জানতে হবে।আমি যেভাবে আছি,এটাকে আমি যদি ধরে রাখতে চাই,তাহলে এমন কিছু করা যাবে না,যেটা আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।দুই নম্বর হচ্ছে রিজেনারেশন।মানে যে ক্ষতিগুলো হয়ে গেছে,সেগুলো রিপেয়ার কীভাবে করব।আর অ্যান্টি-এজিং যেটা,এটা হচ্ছে যে আমরা সবাই ভালো থাকতে চাই,আমরা সবাই ইয়াং থাকতে চাই,চিরনবীন থাকতে চাই।এটা আসলেই ধরে রাখা সম্ভব কি না,হ্যাঁ ধরে রাখা সম্ভব।আমি যত চেষ্টা করব হেলদি লাইফস্টাইল এবং নিজেকে ভালোবাসা,নিজের যত্ন নেওয়া ততই এগুলো আমার নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। সুতরাং এজিংটা স্লো হয়ে যাবে।একজন মানুষ সুন্দর তখনই থাকবেন,যখন তিনি সুস্থ থাকবেন।এই সুস্থতা কীভাবে রাখা যায়,সঞ্চালকের এ প্রশ্নের জবাবে ডা.ঝুমু খান বলেন, সুস্থতা দুটো। মানসিক সুস্থতা ও শারীরিক সুস্থতা। এ দুটোর সমন্বয় যত বেশি থাকবে, ততই মানুষকে পরিপূর্ণ সুস্থ ও সুন্দর দেখাবে। প্রতিদিন আমাদের বয়স বাড়ছে। এখানে কয়েক রকমের এজিংয়ের কথা বলা হয়। যেমন একটা হচ্ছে বায়োলজিক্যাল এজিং।আরেকটা হচ্ছে ক্রনোলজিক্যাল এজিং। আরেকটা হচ্ছে সোশ্যাল এজিং।বায়োলজিক্যাল এজিং হচ্ছে,আমার বয়স হিসেবে কতটুকু ড্যামেজ হচ্ছে, সেটার পরিমাণসূচক ব্যাপার। যেমন একজন মানুষ,তার ২০ বছর। তাকে ২০ বছরই দেখা যাচ্ছে। বায়োলজিক্যালি সি ইজ ফাইন। ক্রনোলজিক্যাল এজিং হচ্ছে আমাদের জন্মদিনের হিসাবে আমাদের বয়স কত,সেটা।

ডা.ঝুমু খান বলেন,সোশ্যাল এজিং হচ্ছে,একজন মানুষ মানসিকভাবে অনেক ইয়াং ফিল করে,কিন্তু সোসাইটি তাকে বলছে,তুমি এ রকম আচরণ করছ কেন। তুমি ২০ বছরের মেয়ে,তোমার আচরণ বয়স্ক মহিলার মতো। কিংবা একজন বয়স্ক মানুষ,সে তারুণ্যে ভরপুর,তাকে এ রকম কিছু একটা বলা হচ্ছে।এটা হচ্ছে সোশ্যাল এজিং।আমার কাছে মনে হয়,একজন মানুষ সুস্থ থাকলেই তাকে বয়স্ক মনে হয় না,তাকে ইয়াং মনে হয় এবং প্রাণশক্তিতে ভরপুর মনে হয়।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*