শনিবার ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | সকাল ৭:২৬
আপডেট
সাভার ১৪তম গ্রেডের কর্মচারীর ‘কোটিপতি’ জীবন! রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: কিয়েভে নিহত ৪, আহত চার শতাধিক দেশের ১০ জেলায় তাপপ্রবাহের পাশাপাশি তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস কক্সবাজার আদালতে বিএনপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, আহত ১ ঈদকে সামনে রেখে সীমান্তে চোরাচালান বেড়েছে, কঠোর নজরদারিতে বিজিবি দেশে ৪ মাসে ১১৮ কন্যাশিশু ধর্ষণ ১৭ খুন — শিশু নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ গাছের সঙ্গে বাঁধা দেহ, পাশে পড়ে ছিল বিচ্ছিন্ন মাথা ঐতিহাসিক কীর্তি: পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ অক্সিজেন পাইপ খোঁজার মধ্যেই থেমে গেল সুরাইয়ার জীবন জাবিতে ধর্ষণচেষ্টার বিচার দাবিতে জাকসুর বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ
Home / লিড নিউজ / ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন কাদের জন্য জরুরি

ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন কাদের জন্য জরুরি

এশিয়ান বার্তা ডেস্ক:- অনেকে ঠাণ্ডাজনিত সমস্যায় ভুগছেন। সারা বছরই ঠাণ্ডা লেগে থাকে, বুকে কফ জমে, শ্বাসকষ্ট হয়। আজ আমরা একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছ থেকে জানব, ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন কেন নেওয়া জরুরি এবং কারা দিতে পারবেন। নিয়মিত স্বাস্থ্যবিষয়ক অনুষ্ঠান স্বাস্থ্য প্রতিদিনের একটি পর্বে ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা নিয়ে কথা বলেছেন হলি ফ্যামিলি রেডক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজে মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছেন ডা. সামিউল আউয়াল স্বাক্ষর।

ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন সম্পর্কে আপনার কাছে জানতে চাই, সঞ্চালকের এ কথার জবাবে অধ্যাপক ডা.আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন,ইনফ্লুয়েঞ্জা তো আসলে করোনাভাইরাস,ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস,এগুলো কিন্তু তাদের,আমরা যেটা বলি মিউটেশন ক্যারেক্টার চেঞ্জ হয় আর কি।প্রতি বছর বছর ক্যারেক্টার চেঞ্জ হয় ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন বাংলাদেশের সব জায়গায় পাওয়া যায়। একটা ভ্যাকসিন এক বছর মতো কাজ করে। আজ একটা ভ্যাকসিন দিলে আগামী বছর সাধারণত আর কাজ করে না। দেখা যায় এর মধ্যে ভাইরাসটা যেটায় ইনফেকশন হয়,সেটা মিউটেশন হয়ে চেঞ্জ হয়ে যায়। পরবর্তী বছরের জন্য নতুন ভ্যাকসিন আসে। সে ক্ষেত্রে আমরা সেই ভ্যাকসিন দিতে পারি এবং ভ্যাকসিন দিলে প্রিভেন্ট করা যায় অনেকটা।

অধ্যাপক ডা.আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন,আমরা সাধারণত সব মানুষকে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন নিতে বলি না।যাদের শ্বাসতন্ত্রে কোনও সমস্যা নেই,যাদের কো-মরবিড ডিজিজ নেই,বয়স কম বা দীর্ঘমেয়াদি কোনও রোগে ভুগছে না,তাদের আমরা ভ্যাকসিনের ব্যাপারে এত সাজেস্ট করি না। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন কাদের জন্য আমরা সাজেস্ট করে থাকি,সঞ্চালকের এ প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক ডা.আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন,এটা হলো ছোট বাচ্চা,বয়স্ক মানুষ এবং কো-মরবিড ডিজিজ থাকে,তাদের দিতে বলি।কোন বয়সে নিতে বলি,সঞ্চালকের এ প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন,১০ বছরের নিচে।আর ওই দিকে ৬০-৭০ বছরের পরে।কারণ,ছোটবেলায় মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয় না,তৈরি হওয়ার মতো সময় হয় না। আর বয়স বেশি হওয়া মানে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ক্ষয়ে যাওয়া। মাঝখানে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে। তাহলে ছোটবেলায় তৈরি হয় না,তৈরি হতে সময় লাগে,সে জন্য নিতে পারি এবং বয়স বেশি হওয়ার কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ক্ষয়ে যাওয়া,এ সময় আমরা ভ্যাকসিন দিতে বলি।বিশেষ করে যাদের ফুসফুডে রোগ আছে, যেমন অ্যাজমা,সিওপিডি বা ফুসফুসে যাদের ক্রনিক রোগ থাকে,তাদের আমরা ভ্যাকসিন নিতে বলি।এটা বছর-বছর নেওয়া ভালো।ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে কি না,সে সম্পর্কে আরও জানতে উপর্যুক্ত ভিডিওটি সম্পূর্ণ দেখুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*