রবিবার ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | সকাল ১০:১০
আপডেট
ডিবি (উত্তর) অভিযানে গত এক মাসে ১০৮ গ্রেপ্তার, জব্দ প্রায় ৭৭ লাখ টাকার মাদক কলকাতার হোটেলে আগুনে নিহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত ডিবি (উত্তর) বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ও ফেন্সিডিলসহ ৬ জন গ্রেপ্তার ডিবির বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি ও স্বর্ণালংকার নেওয়ার অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে ১ হাজার লিটার চোলাইমদ ও ১০০ ইয়াবাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ছয় মাসে ডিবির (উত্তর) বিশেষ অভিযানে ৬০৩ গ্রেপ্তার, জব্দ কোটি টাকার মাদক, অস্ত্র ও যানবাহন ডিবির পৃথক অভিযানে ডাকাত চক্রের ৯ সদস্যসহ ১৪ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও দুটি গাড়ি জব্দ আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্তে জমি বৈধ দাবি, কালবেলার প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান সানভিউ টাওয়ার্সের আশার দুই বিভাগীয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ
Home / অন্যান্য / সাভারে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

সাভারে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

এশিয়ান বার্তা ডেস্ক : ঢাকার সাভারে ৬০নং ইমান্দিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জাহেদুল ইসলাম জাহিদের দূর্নীতি অনিয়ম ও অসদাচরণের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে স্কুল উন্নয়নের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

জানা যায়, দূর্নীতি মাধ্যমে স্লিপ ফান্ডের টাকা আত্মসাত, অনিয়ম ও অসদাচরণের দায়ে অভিযুক্ত ইমান্দিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জাহেদুল ইসলাম। আর তার এই কাজের সহযোগী ছিল বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইবনে মাসুদ। সে তখন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গাজী শাহানা ইসলাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং শিক্ষা অফিসারকে অবহিত করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ম্যানেজিং কমিটির গঠনতন্ত্রকে বৃদ্ধাংগুল দেখিয়ে অবৈধ উপয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হন জাহেদুল ইসলাম। কমিটিতে দাতা সদস্যদের নাম থাকার কথা থাকলেও ভুয়া একজনকে দাতা সদস্য সাজিয়ে প্রভাব খাটিয়ে কমিটি তৈরী করেন। পরে দুই দফায় প্রধান বিদ্যালয়ের সরকারি অনুদান খাতের (স্লিপ ফান্ড) ৯৮ হাজার টাকা আত্মসাত করেন।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে থাকা ইরফান মাসুদ জানায়, বৈধ ভাবেই ওই কমিটি হয়েছিল। টাকা আত্মসাতের অভিযোগও সঠিক নয়। আমরা যে টাকা উত্তোলন করেছি সব টাকার কাজ করেছি। সব কাজের ভাউচার আছে। বরং প্রধান শিক্ষক গাজী শাহানা ইসলাম একজন দূর্নীতিবাজ। সেই স্লিপ ফান্ডের টাকা আত্মসাত করেছে। কিন্তু সরেজমিনে স্কুলে গিয়ে তারা যে কাজের কথা বলছে তার তেমন কোন প্রমান পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গাজী শাহানা ইসলাম জানান, ওই কমিটি যখন হয় তখন অসুস্থ্যতার কারনে আমি ছুটিতে ছিলাম। আর তখন ভারপ্রাপ্ত প্রাধান শিক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইবনে মাসুদ। কমিটি করার পরই সভাপতি জাহেদুল ইসলাম সরকারী অনুদান (স্লিপ ফান্ডের) ৬৩ হাজার টাকা উত্তোলনের জন্য চেকে স্বাক্ষর করতে আমাকে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। ছুটি শেষে স্কুলে এসে চেক সই করে দিবো, তখন সভাপতি জাহেদুল আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে। পরে সভাপতি জাহেদুল ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইরফান মাসুদ সাভার মডেল থানায় চেক হারানোর সাধরণ ডায়েরী করে ব্যাংক থেকে নতুন চেক বই উত্তোলন করে ৬৩ হাজার টাকা উত্তোলন করেছে। তবে কোথায় খরচ করা হয়েছে তার কোন নথি স্কুলে পাওয়া যায় নাই। এভাবে সরকারী টাকা আত্মসাৎ করার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পরলে প্রধান শিক্ষকের সাথে মারমুখি আচরণ করে ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা। পরবর্তীতে আরও ৩৫ হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জাহেদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তা মিথ্যা। আমার কমিটিও বৈধ ছিল। যে টাকা উত্তোলন করেছিলাম তার কাজ করেছি, সব ভাউচার আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*