শনিবার ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | সকাল ৮:৪৮
আপডেট
সাভার ১৪তম গ্রেডের কর্মচারীর ‘কোটিপতি’ জীবন! রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: কিয়েভে নিহত ৪, আহত চার শতাধিক দেশের ১০ জেলায় তাপপ্রবাহের পাশাপাশি তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস কক্সবাজার আদালতে বিএনপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, আহত ১ ঈদকে সামনে রেখে সীমান্তে চোরাচালান বেড়েছে, কঠোর নজরদারিতে বিজিবি দেশে ৪ মাসে ১১৮ কন্যাশিশু ধর্ষণ ১৭ খুন — শিশু নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ গাছের সঙ্গে বাঁধা দেহ, পাশে পড়ে ছিল বিচ্ছিন্ন মাথা ঐতিহাসিক কীর্তি: পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ অক্সিজেন পাইপ খোঁজার মধ্যেই থেমে গেল সুরাইয়ার জীবন জাবিতে ধর্ষণচেষ্টার বিচার দাবিতে জাকসুর বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ
Home / লিড নিউজ / বারবার গর্ভপাতের কারণ কী ?

বারবার গর্ভপাতের কারণ কী ?

এশিয়ান বার্তা ডেস্ক:- মাতৃত্বের স্বাদ কে না পেতে চায়। কিন্তু শারীরিক নানান জটিলতার কারণে অনেকের তা সম্ভব হয়ে ওঠে না। তবে বিজ্ঞান এখন বহু দূর এগিয়েছে। ট্রিটমেন্ট পদ্ধতিতে এসেছে পরিবর্তন। অনেকের বারবার গর্ভপাত হয়। কেন হয়,আমরা একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছ থেকে এ বিষয়ে জানব। নিয়মিত স্বাস্থ্যবিষয়ক অনুষ্ঠান স্বাস্থ্য প্রতিদিনের একটি পর্বে বারবার গর্ভপাত সম্পর্কে কথা বলেছেন বিআরবি হসপিটাল লিমিটেডে বন্ধ্যত্ব বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. শাহীনা বেগম শান্তা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছেন পুষ্টিবিদ নুসরাত জাহান দীপা।

বারবার গর্ভপাত বা রিকারেন্ট প্রেগন্যান্সি লস বলতে আসলে কী বোঝায়, সঞ্চালকের এ প্রশ্নের জবাবে ডা.শাহীনা বেগম শান্তা বলেন,কয়েকটা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন আছে,যারা এটাকে বিভিন্নভাবে ডিফাইন করেছে।একটা গ্রুপ বলছে, কারও যদি দুইটা মিসকারেজ হয়, তখন আমরা তাকে রিকারেন্ট প্রেগন্যান্সি লসের গ্রুপে ফেলে দেব।কেউ বলে তিনটা মিসকারেজ হলে পরে আমরা রিকারেন্ট প্রেগন্যান্সি লস বলব। কেউ বলছে পরপর দুইটা মিসকারেজ হতে হবে, কেউ বলছে একটা মিসকারেজের পর একটা বেবি হলো,তারপর যদি একটা মিসকারেজ হয়, সেটা রিকারেন্ট প্রেগন্যান্সি লস। তবে এখন আমরা যেটা বলি, কারও যদি দুইটা মিসকারেজ হয়ে থাকে, সেটা পরপর হোক বা না হোক, তাদের আমরা পুনঃপুনঃ গর্ভপাত বা রিকারেন্ট প্রেগন্যান্সি লসের গ্রুপের মধ্যে ফেলতে পারি।

বারবার গর্ভপাতের কারণ কী, কেন আসলে এটি বারবার হচ্ছে, সঞ্চালকের এ প্রশ্নের জবাবে ডা. শাহীনা বেগম শান্তা বলেন, রিকারেন্ট প্রেগন্যান্সি লসকে আমরা কয়েকটি গ্রুপে ভাগ করি। প্রথমে তিন মাসে হচ্ছে কি না, পরের তিন মাসে হচ্ছে কি না। কারও ব্যথা পেয়ে অ্যাবরশন হয়ে যাচ্ছে, না কি প্রথম আলট্রাসনোগ্রামে দেখা গেল হার্টবিট আছে, পরের আলট্রাসনোগ্রামে দেখা গেল হার্টবিট নেই। না কি তিন মাসের মধ্যে পানি ভেঙে দিয়ে জরায়ুমুখ খুলে গিয়ে মিসকারেজ হয়ে গেল। এ রকমভাবে হিস্ট্রিটা ডিটেইলস নিয়ে আমরা জানার চেষ্টা করি তার কী কারণে মিসকারেজ হচ্ছে।

ডা.শাহীনা বেগম শান্তা বলেন, প্রথম তিন মাসের মধ্যে যে মিসকারেজগুলো হয়, তার বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় তার যদি থাইরয়েড হরমোন, প্রোলাকটিন হরমোন, ব্লাড সুগার যদি অল্টারড থাকে, তাদের ক্ষেত্রে হতে পারে। তারপর দেখা যাবে যে অ্যান্টিফসফোলিপিড অ্যান্টিবডি নামে একটা বিষয় আছে, যেটাতে হয় যে নরমালি রক্তের যে ঘনত্ব থাকে, প্রেগন্যান্সিতে তার ঘনত্ব বেড়ে যায় এবং একসময় বাচ্চার ব্লাড সাপ্লাই বন্ধ হয়ে হার্টবিট বন্ধ হয়ে যায়। তারপর যদি প্রোজেস্টেরন হরমোন প্রেগন্যান্সিকে সাপোর্ট দেয়, প্রোজেস্টেরন হরমোনের ঘাটতি থাকে, কারও যদি করপাস স্ট্রিয়াটাম নামের সাপোর্টিভ একটা জিনিস তৈরি হয় ওভারিতে, যেটা প্রথম তিন মাসের মধ্যে প্রেগন্যান্সিকে নিউট্রিশন, হরমোন সাপোর্ট ও প্রেগন্যান্সি মেইনটেইন করার জন্য সাপোর্ট দিয়ে থাকে। কারও যদি করপাস স্ট্রিয়াটাম ভালো ফাংশন না করে, তার ক্ষেত্রেও রিকারেন্ট মিসকারেজ হয়। সাধারণত এগুলো হলে তিন মাসের মধ্যে হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং তিন মাস পরেও হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*