বুধবার ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | সকাল ৬:২৩
আপডেট
ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে ১ হাজার লিটার চোলাইমদ ও ১০০ ইয়াবাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ছয় মাসে ডিবির (উত্তর) বিশেষ অভিযানে ৬০৩ গ্রেপ্তার, জব্দ কোটি টাকার মাদক, অস্ত্র ও যানবাহন ডিবির পৃথক অভিযানে ডাকাত চক্রের ৯ সদস্যসহ ১৪ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও দুটি গাড়ি জব্দ আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্তে জমি বৈধ দাবি, কালবেলার প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান সানভিউ টাওয়ার্সের আশার দুই বিভাগীয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সাভার থানা ছাত্রদলের সম্পাদক সামির বহিষ্কার সাভার ১৪তম গ্রেডের কর্মচারীর ‘কোটিপতি’ জীবন! রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: কিয়েভে নিহত ৪, আহত চার শতাধিক দেশের ১০ জেলায় তাপপ্রবাহের পাশাপাশি তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস কক্সবাজার আদালতে বিএনপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, আহত ১
Home / আইন ও অপরাধ / দুই পুলিশের বিরুদ্ধে বিচারকের স্বাক্ষর জাল ! প্রতিবেদন ৪ আগস্ট

দুই পুলিশের বিরুদ্ধে বিচারকের স্বাক্ষর জাল ! প্রতিবেদন ৪ আগস্ট

এশিয়ান বার্তা ডেস্ক:- মোটরযান জিআর শাখার এক কর্মকর্তাসহ দুই পুলিশের বিরুদ্ধে বিচারকের স্বাক্ষর জাল করে পরোয়ানা ফেরত পাঠানোর অভিযোগে সিএমএম আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৪ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন।

বুধবার (০৩-জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সাদী প্রতিবেদন দাখিলের এ দিন ধার্য করেন। গত বছর ২৫ সেপ্টেম্বর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১০ এর বেঞ্চ সহকারী ইমরান হোসেন বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় এই মামলা করেন।

মামলার দুই আসামি হলেন- মোটরযান শাখার ইনচার্জ এসআই ফুয়াদ উদ্দিন এবং কনস্টেবল আবু মুছা। পরদিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ফারাহা দিবা ছন্দার আদালত তা গ্রহণ করে কোতয়ালী থানা পুলিশকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। তবে এ পর্যন্ত প্রতিবেদন দাখিল না করায় নতুন করে এ দিন নির্ধারণ করা হলো। সিএমএম আদালতে কোতয়ালী থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার এসআই আশ্রাব আলী এ তথ্য জানান।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শেখ সাদী ১০ নম্বর আদালতের পাশাপাশি মোটরযান সম্পর্কিত মামলা পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর দুপুর আড়াইটার দিকে মোটরযান শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত ইনচার্জ এসআই ফুয়াদ উদ্দিন অন্যান্য নথির সাথে নন এফআইআর দুটি মামলা বিচারকের কাছে উপস্থাপন করেন। কিন্তু আসামি না থাকায় বিচারক কোনো পদক্ষেপ নেননি।

পরবর্তীতে বিচারক জানতে পারেন, মামলা দুটির জব্দকৃত আলামত মোটরযান শাখার ইনচার্জ ফুয়াদ উদ্দিন ও কনস্টেবল আবু মুছা তাদের অন্যান্য সহযোগীদের যোগসাজশে বিচারকের স্বাক্ষর জাল করে পরোয়ানা ফেরত কাগজে ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষরের জায়গায় নিজেরা স্বাক্ষর প্রদান করে আসামিদের দিয়ে দেয়। যার ফটোকপি নথিতে সংযুক্ত রয়েছে। তাছাড়া এ মামলার নথিতে বিচারকের কোনো স্বাক্ষর নাই এবং কোনো জরিমানা করেন নাই। বিচারক ইতোমধ্যে অবগত হয়েছেন, মোটরযান শাখার ইনচার্জ এসআই ফুয়াদ উদ্দিন ও কনস্টেবল আবু মুছা তাদের অন্যান্য সহযোগীদের যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে বিচারকের স্বাক্ষর জাল করে একই ধরনের অপরাধ করে আসছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

এদিকে মামলার পর থেকে তারা দুজনই কর্মস্থল থেকে পলাতক রয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*