সোমবার ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | দুপুর ২:৪৮
আপডেট
ডিবি (উত্তর) অভিযানে গত এক মাসে ১০৮ গ্রেপ্তার, জব্দ প্রায় ৭৭ লাখ টাকার মাদক কলকাতার হোটেলে আগুনে নিহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত ডিবি (উত্তর) বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ও ফেন্সিডিলসহ ৬ জন গ্রেপ্তার ডিবির বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি ও স্বর্ণালংকার নেওয়ার অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে ১ হাজার লিটার চোলাইমদ ও ১০০ ইয়াবাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ছয় মাসে ডিবির (উত্তর) বিশেষ অভিযানে ৬০৩ গ্রেপ্তার, জব্দ কোটি টাকার মাদক, অস্ত্র ও যানবাহন ডিবির পৃথক অভিযানে ডাকাত চক্রের ৯ সদস্যসহ ১৪ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও দুটি গাড়ি জব্দ আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্তে জমি বৈধ দাবি, কালবেলার প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান সানভিউ টাওয়ার্সের আশার দুই বিভাগীয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ
Home / বাণিজ্য / খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৩৫ হাজার কোটি টাকার নতুন কৃষি ঋণ ঘোষণা:- বাংলাদেশ ব্যাংক

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৩৫ হাজার কোটি টাকার নতুন কৃষি ঋণ ঘোষণা:- বাংলাদেশ ব্যাংক

এশিয়ান বার্তা ডেস্ক:- বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৩৫ হাজার কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে নতুন কৃষি ঋণ বিতরণ নীতি ঘোষণা করেছেন।

রোববার (৬ আগস্ট) কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এই ঘোষণা আসে। দেশের নীতিনির্ধারক ব্যাংকটি আগের অর্থবছরের (২০২২-২৩) চেয়ে ১৩ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করেছেঘোষণা অনুযায়ী, যাদের ছাদে বাগান রয়েছে তারাও খামার ঋণের জন্য আবেদন করতে পারবেন।মতিঝিলে প্রধান কার্যালয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এ কে এম সাজেদুর রহমান খান। এ সময় কৃষিঋণ অধিদপ্তরের (এসিডি) পরিচালক কানিজ ফাতেমাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।কৃষি ও গ্রামীণ ঋণের চাহিদা বিবেচনায় রাষ্ট্রায়ত্ত, বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোকে ১২ হাজার ৩০ কোটি টাকা, বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ২১ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা এবং বাংলাদেশে বিদেশি ব্যাংকগুলোর শাখাগুলোকে এক হাজার ৪৭ কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়।

২০২২-২৩ অর্থবছরে ব্যাংকগুলো মোট ৩২ হাজার ৮৩০ কোটি টাকা কৃষি ও গ্রামীণ ঋণ বিতরণ করেছে। যা আর্থিক বছরের মোট লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেশি।গত অর্থবছরে মোট ৩৬ দশমিক ১৮ লাখ কৃষক কৃষি ও গ্রামীণ ঋণ পেয়েছেন। যার মধ্যে ১৮ দশমিক ৮১ লাখ নারী প্রায় ১২ হাজার ৭৫২ দশমিক ৪৬ কোটি টাকা ব্যাংক এবং মাইক্রো ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউট (এমএফআই) বা এনজিও থেকে ঋণ পেয়েছেন।বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশের খাদ্য নিরাপত্তাকে কেন্দ্র করে কৃষি ঋণ নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে।বাণিজ্যিক ব্যাংকের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াও, বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেড এবং বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডকে (বিআরডিবি) কৃষি ও গ্রামীণ ঋণ হিসাবে যথাক্রমে ২৬ কোটি টাকা এবং এক হাজার ৪২৩ কোটি টাকা বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছিল।

ব্যাংকগুলো তাদের নিজস্ব নেটওয়ার্ক (শাখা, উপশাখা, এজেন্ট ব্যাংকিং, সিন্ডিকেটকৃত ঋণ বিতরণ) এবং ব্যাংক-এমএফআই সংযোগগুলো ক্রেডিট বিতরণ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে ব্যবহার করবে। এক্ষেত্রে ব্যাংকের নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ লক্ষ্যমাত্রার অন্তত ৫০ শতাংশ হতে হবে। আগে তা ছিল ৩০ শতাংশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*