বুধবার ১৫ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | রাত ১১:৫১
আপডেট
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারে রিয়াদের দৌড়ঝাঁপ; ফতুল্লায় আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা ফেনীর মহিপালে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা তারেক রহমান :- গণভোটের চেয়ে আলুর ন্যায্যমূল্য গুরুত্বপূর্ণ শাহবাগে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের টিয়ারশেল নিক্ষেপ,আহত ১০ পানি খাওয়ার অজুহাতে ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে বেঁধে স্বর্ণালংকার লুট, আটক তরুন-তরুনি আরেকটা এক-এগারোর বন্দোবস্ত করার পাঁয়তারা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন ; নাহিদ ইসলাম দেশের ১৮ অঞ্চলে রাতের মধ্যেই হতে পারে ‘ঝড়’ ড. ইউনূসের পাশে দাঁড়াতে দেশে ফিরছেন পিনাকী-ইলিয়াস-কনক ভুয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিকে কেন্দ্র করে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান সেনাবাহিনীর ইউক্রেন - রাশিয়া যুদ্ধ: কিভাবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হতে পারে !
Home / অন্যান্য / আশুলিয়ায় এক তরুণকে হত্যার দশ মাস পর, গ্রেপ্তার ২

আশুলিয়ায় এক তরুণকে হত্যার দশ মাস পর, গ্রেপ্তার ২

এশিয়ান বার্তা ডেস্ক:- আশুলিয়ায় লিখন নামে এক তরুণকে হত্যার দশ মাস পর ভাই বেরাদার গ্যাংয়ের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল।

শনিবার (২৯ এপ্রিল) সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন র‌্যাব-৪ কোম্পানি অধিনায়ক লে. কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান। এর আগে, বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) ও শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) আশুলিয়ার নবারটেক এলাকায় পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলো- পাবনা জেলার অনিক (২০) ও জোবায়ের (১৯)। তারা আশুলিয়ার পলাশবাড়ি গোচারারটেক ইস্টার্ন হাউজিংয়ে থাকতো। তারা দুজনই ‘ভাই বেরাদার’ গ্যাংয়ের সদস্য।

র‌্যাব জানায়, ২০২২ সালের ৪ জুলাই সন্ধ্যায় কিশোরদের তৈরি আশুলিয়ার ‘কাইচ্চাবাড়ি গ্যাং’ এবং গোচারারটেক ‘ভাই বেরাদার’ গ্যাংয়ের এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পলাশবাড়ি গোচারারটেক ইস্টার্ন হাউজিং মাঠের পাশে দেশিয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দুই গ্রুপ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। ওই সময় মাঠে ভিকটিম লিখন তার পরিচিত অপর ভিকটিম মেহেদীকে মারতে দেখে এগিয়ে গিয়ে মারামারি থামানোর চেষ্টা করলে, উভয় গ্রুপের সদস্যরা মেহেদীর সঙ্গে ভিকটিম লিখনকেও এলোপাতাড়ি মারধর করতে থাকে। এক পর্যায়ে আসামিদের সঙ্গে থাকা লোহার রডের আঘাতে ভিকটিম লিখন রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে এবং পরবর্তীতে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় লিখনকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এবং অপর ভিকটিম মেহেদীকে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। পরদিন (৫ জুলাই) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন লিখনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর চাচা শরীফুল ইসলাম বাবু বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় রনি, এনায়েতসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর র‍্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল আসামি মো. রনি ওরুফে মামা রনি (১৮), মো. জিলানী (১৮), মো. সোহাগ (১৯) এবং রাকিবকে (১৮) গ্রেপ্তার করে আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করে। পুলিশ হেফাজতে গ্রেপ্তার আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে লিখন হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে মাঠ পর্যায়ে র‍্যাব-৪ এর গোয়েন্দা দলের নজরদারি চলমান থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭ ও ২৮ এপ্রিল একটি আভিযানিক দল আশুলিয়া থানাধীন নবারটেক এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে অনিক ও জোবায়ের নামে লিখন হত্যাকাণ্ডের অন্যতম সক্রিয় অংশগ্রহণকারীকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হয়।

র‌্যাব-৪ এর কোম্পানি অধিনায়ক লে. কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার আসামি অনিক এবং জোবায়ের লিখন হত্যাকাণ্ডে তাদের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। তারা জানায় যে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে হত্যাকাণ্ডের বেশ কিছুদিন আগে থেকে গোচারারটেক কিশোর গ্যাং ও কাইচ্চাবাড়ি কিশোর গ্যাং, তথা লিখন গ্রুপ ও রনি গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। চলমান এই দ্বন্দ্বের জেরেই পরিকল্পিতভাবে লিখন হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*