সোমবার ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | রাত ৩:৩৩
আপডেট
রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: কিয়েভে নিহত ৪, আহত চার শতাধিক দেশের ১০ জেলায় তাপপ্রবাহের পাশাপাশি তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস কক্সবাজার আদালতে বিএনপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, আহত ১ ঈদকে সামনে রেখে সীমান্তে চোরাচালান বেড়েছে, কঠোর নজরদারিতে বিজিবি দেশে ৪ মাসে ১১৮ কন্যাশিশু ধর্ষণ ১৭ খুন — শিশু নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ গাছের সঙ্গে বাঁধা দেহ, পাশে পড়ে ছিল বিচ্ছিন্ন মাথা ঐতিহাসিক কীর্তি: পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ অক্সিজেন পাইপ খোঁজার মধ্যেই থেমে গেল সুরাইয়ার জীবন জাবিতে ধর্ষণচেষ্টার বিচার দাবিতে জাকসুর বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ জাবিতে ফের নারী শিক্ষার্থী হেনস্তা: রাতভর বিক্ষোভে উত্তাল ক্যাম্পাস
Home / অন্যান্য / আশুলিয়া / অবৈধ সিলিন্ডার রিফিল কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা আশুলিয়া থানায়

অবৈধ সিলিন্ডার রিফিল কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা আশুলিয়া থানায়

এশিয়ান বার্তা ডেস্ক:- আশুলিয়ায় অবৈধ সিলিন্ডার রিফিল কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনার চার দিন পর মামলা আশুলিয়া থানায়।

রবিবার (৭ই-মে ) বাদী মামলাটি করেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপের মানব সম্পদ বিভাগের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মো.মাহাবুবুল হোসাইন। মামলার এজাহারে বর্ণিত আসামীদের নাম — আশুলিয়ার কাঠগড়ার বাসিন্ধা ও মায়ের দোয়া ভারাইটিজ ষ্টোরের মালিক মো.মিরাজ (৩৫),লামিয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক মো.লালন (৪০), নরসিংহপুরে আবুদল্লাহ এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. করিম (৪০) ও মায়ের দোয়া ভ্যারাইটিজ ষ্টোরে কর্মচারী মো. রাজিব (৩৫)। এই মামলা অজ্ঞাত আরো ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে, গত ৪ মে আশুলিয়ার কাঠগড়ায় মায়ের দোয়া ভ্যারাইটিজ ষ্টোর নামে প্রতিষ্ঠানের গোডাউনে এলপি গ্যাস অবৈধভাবে রিফিলিং কারখানায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে।এ ঘটনায় বসুন্ধরা গ্রুপে কর্মরত এরিয়া অফিসার মো. আবু সুফিয়ান, ডিএসএম রোকনুজ্জামান ও উহং ম্যানেজার শরিফুল ইসলাম ৬ মে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন। এসময় ঘটনাস্থলে বসুন্ধরাসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন এলপি গ্যাস বোতল বিস্ফোরিত অবস্থায় দেখা যায়।মুলত অসাধু ব্যবসায়ীরা যোগসাজসে ১২ কেজি খালি বোতল কিনে।পরে বসুন্ধরা ৪৫ কেজির এলপি সিলিন্ডার গ্যাস কিনে ১২ কেজির একাধিক বোতলে ভরে দিচ্ছে।ওজন ঠিক রাখতে ভিতরে বালি ও পানি ভরে দিচ্ছে।এতে গ্রাহক যেমন প্রতারিত হচ্ছে,তেমনি প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (ইন্টেলিজেন্স) মো. মিজানুর রহমান বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তার অভিযান চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*