বৃহস্পতিবার ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | সকাল ১১:৩৪
আপডেট
ডিবির বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি ও স্বর্ণালংকার নেওয়ার অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে ১ হাজার লিটার চোলাইমদ ও ১০০ ইয়াবাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ছয় মাসে ডিবির (উত্তর) বিশেষ অভিযানে ৬০৩ গ্রেপ্তার, জব্দ কোটি টাকার মাদক, অস্ত্র ও যানবাহন ডিবির পৃথক অভিযানে ডাকাত চক্রের ৯ সদস্যসহ ১৪ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও দুটি গাড়ি জব্দ আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্তে জমি বৈধ দাবি, কালবেলার প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান সানভিউ টাওয়ার্সের আশার দুই বিভাগীয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সাভার থানা ছাত্রদলের সম্পাদক সামির বহিষ্কার সাভার ১৪তম গ্রেডের কর্মচারীর ‘কোটিপতি’ জীবন! রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: কিয়েভে নিহত ৪, আহত চার শতাধিক
Home / বাংলাদেশ / চট্টগ্রাম / চাকরি হারালেন মানবিক পুলিশ ইউনিটের সেই শওকত

চাকরি হারালেন মানবিক পুলিশ ইউনিটের সেই শওকত

এশিয়ান বার্তা ডেস্ক:- চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) বন্দর জোনে কর্মরত মানবিক পুলিশহিসেবে পরিচিত কনস্টেবল শওকত হোসেনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় চাকরি হারিয়েছেন তিনি। গত ১৬ এপ্রিল সিএমপির বন্দর বিভাগের উপকমিশনার (বন্দর) শাকিলা সোলতানা তাঁর চাকরিচ্যুতির আদেশে সই করেন।

বিষয়টি বৃহস্পতিবার (২৭-এপ্রিল) জানাজানি হয়। তবে শওকতের দাবি, মানবিক কাজ করতে স্বেচ্ছায় পুলিশের চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন তিনি।শওকত হোসেন নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার বাসিন্দা। তিনি ২০০৫ সালে কনস্টেবল হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। স্বজনহীন অসুস্থ মানুষের সেবা দিয়ে আলোচিত হন তিনি। রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদকও (পিপিএম) পান শওকত। শওকতের চাকরিচ্যুতির আদেশে বলা হয়, তার বিরুদ্ধে টানা ৭১ দিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ছাড়াও অভিযুক্ত (শওকত হোসেন) শারীরিক মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, পারিবারিক ব্যক্তিগত সমস্যা থাকায় এবং বেওয়ারিশ মানুষ নিয়া মানবিক কার্যক্রমে ব্যস্ত থাকায় পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি করা তার পক্ষে সম্ভব নয় এমন বক্তব্য লিখিতভাবে কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

শাকিলা সোলতানা বলেন, শওকত ৭১ দিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। কারণে তাঁকে বারবার নোটিশ দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি কোনো জবাব দেননি। পরে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। সেখানেও কোনো শুনানিতে অংশ নেননি তিনি। বিভাগীয় মামলার তদন্ত শেষে তদন্ত কর্মকর্তা তাঁকে চাকরিচ্যুতির সুপারিশ করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী শওকতকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তিনি সব সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকতেন। চট্টগ্রাম রেঞ্জে বদলির পর তাঁকে কুমিল্লায় পোস্টিং দেওয়া হয়। সেখানেও তিনি ৩৭২ দিন অনুপস্থিত ছিলেন।

নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) অতনু চক্রবর্তী বলেন, বিভাগীয় মামলার তদন্ত পাওয়ার পর শওকতের বক্তব্য জানতে দফায় দফায় নোটিশ পাঠানো হয়েছে। কিন্তু তিনি হাজির হননি। মামলা শেষ করতে পরে স্থানীয় থানা চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজির মাধ্যমে তাঁকে অনেক কষ্ট করে হাজির করা হয়েছে। সর্বশেষ মার্চে তিনি সহকারী কমিশনারের কার্যালয়ে যান। সেখানে ৭১ দিন অনুপস্থিতির কোনো যৌক্তিক কারণ দেখাতে পারেননি। শওকত স্বীকার করেছেন, তাঁর পরিচালিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি কর্মস্থলে হাজির হতে পারেননি। তাঁর বিরুদ্ধে কর্মস্থলে অনুপস্থিতির অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় সে অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

বিষয়ে শওকত হোসেন সমকালকে বলেন, ‘চাকরিতে থেকে মানবিক কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে। কারণে আমি নিজ থেকেই চাকরি ছেড়ে দিয়েছি। তাছাড়া আমাকে কুমিল্লা জেলায় বদলি করা হয়। সেখানে আমি যাইনি। আমাকে চট্টগ্রামে রাখতে বলেছিলাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*