বৃহস্পতিবার ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | সকাল ৯:৫৭
আপডেট
ডিবির বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি ও স্বর্ণালংকার নেওয়ার অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে ১ হাজার লিটার চোলাইমদ ও ১০০ ইয়াবাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ছয় মাসে ডিবির (উত্তর) বিশেষ অভিযানে ৬০৩ গ্রেপ্তার, জব্দ কোটি টাকার মাদক, অস্ত্র ও যানবাহন ডিবির পৃথক অভিযানে ডাকাত চক্রের ৯ সদস্যসহ ১৪ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও দুটি গাড়ি জব্দ আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্তে জমি বৈধ দাবি, কালবেলার প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান সানভিউ টাওয়ার্সের আশার দুই বিভাগীয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সাভার থানা ছাত্রদলের সম্পাদক সামির বহিষ্কার সাভার ১৪তম গ্রেডের কর্মচারীর ‘কোটিপতি’ জীবন! রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: কিয়েভে নিহত ৪, আহত চার শতাধিক
Home / বাংলাদেশ / ময়মনসিংহ / নেত্রকোনা / এসএসসির প্রবেশপত্রের বিনিময়ে ৮০০ টাকা আদায়ের অভিযোগ

এসএসসির প্রবেশপত্রের বিনিময়ে ৮০০ টাকা আদায়ের অভিযোগ

এশিয়ান বার্তা ডেস্ক:-  কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা আব্দুল হামিদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। রোববার থেকে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এসএসসি ও সমমানের বোর্ড পরীক্ষা। এজন্য প্রবেশপত্রের বিনিময়ে প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ৮০০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। যেসব পরীক্ষার্থী ৮০০ টাকা দিতে পারছে না তাদের প্রবেশপত্র আটকে দেওয়া হচ্ছে। অর্ধেক পরীক্ষার্থী এখনও প্রবেশপত্র হাতে পায়নি।

জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ শাখার পরীক্ষার্থী ২১ এবং কারিগরি শাখার পরীক্ষার্থী ৮৩ জন।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রতিটি প্রবেশপত্রের বিনিময়ে ৮০০ টাকা আদায়ের নির্দেশ দেন। কিন্তু অনেক ছাত্রছাত্রী ৮০০ টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। এতে তাদের প্রবেশপত্র আটকে দেওয়া হয়।

গত বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেয় ভুক্তভোগীরা। পরীক্ষার্থী সাগর মিয়া জানায়, শুক্রবার দুপুরের আগে তার প্রবেশপত্রের বিনিময়ে জাকির মাস্টার ৮০০ টাকা নিয়েছেন। তার মতো অনেক ছাত্রছাত্রীর কাছ থেকে টাকা আদায় করা হচ্ছে।

সাবেক ইউপি সদস্য কাজিম উদ্দিন খান ও স্থানীয় বাসিন্দা রায়হান উদ্দিন আকন্দ, ফরিদ আকন্দ,জামাল উদ্দিনের তথ্যমতে, প্রবেশপত্রের বিনিময়ে প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ৮০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এমন অভিযোগ ছাত্রছাত্রীর মুখ থেকে শুনেছেন তাঁরা। এ নিয়ে দুই দিন ধরে ছাত্র-শিক্ষকদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা চলছে।

মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে জাকির হোসেন মাস্টার বলেন,বিভিন্ন বকেয়া পাওনাসহ প্রধান শিক্ষক যেভাবে ধার্য করে দিয়েছেন সেভাবেই টাকা আদায় করছি।

প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান ভূঁইয়ার ভাষ্য,সারা বছর ছাত্রছাত্রীরা বেতনসহ বিভিন্ন ফির টাকা দেয় না। পরীক্ষার সময়ই বিভিন্ন বকেয়ার টাকা আদায় করে থাকেন তাঁরা। সামনে এসএসসি ও কারিগরি পরীক্ষা। কারও বকেয়া ৮০০, কারও এক হাজার, কারও আবার ৫০০ টাকা বকেয়া আছে। বকেয়ার টাকা আদায় করা হচ্ছে। প্রবেশপত্রের বিনিময়ে কোনো টাকা নেওয়া হচ্ছে না। তাঁর দাবি, যারা বকেয়া দিতে পারে না, পরীক্ষার আগে তাদের বাড়িতে প্রবেশপত্র পৌঁছে দেওয়া হয়।

কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাবেরী জালাল বলেন, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও গড়াডোবা আব্দুল হামিদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁদের দাবি, প্রবেশপত্রের বিনিময়ে কোনো টাকা নেওয়া হচ্ছে না। বিভিন্ন বকেয়ার টাকা আদায় করা হচ্ছে প্রবেশপত্র দেওয়ার সময়। এরপরও বিষয়টি যাচাই করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*