
ফাহাদ-ই-আজমঃ- ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ায় পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজা ও নিষিদ্ধ ইস্কাপ সিরাপ উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৪)। এ সময় একজন নারীসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া আশুলিয়ার অভিযানে আরও দুই সন্দেহভাজন পালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৪ জুলাই দিবাগত রাতে আশুলিয়ার পশ্চিম আউকপাড়া এলাকায় আনোয়ার জং রোডের আনারকলি বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন একটি দোকানঘরে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৪০ কেজি ৭০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ১০ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা। অভিযানে মাদক ব্যবসার কাজে ব্যবহৃত একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।
ঘটনাস্থল থেকে মর্জিনা আক্তার (২৬) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হলেও মো. মামুন (৪১) ও আব্দুর রাজ্জাক মিয়া (৪৬) নামে অপর দুই ব্যক্তি পালিয়ে যান বলে জানিয়েছে র্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক দুইজনের সঙ্গে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেছে সংস্থাটি। তাদের বিরুদ্ধে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা এনে আশুলিয়া, সাভার, ধামরাইসহ ঢাকা জেলার বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে।
এর আগে ২৩ জুলাই সন্ধ্যায় সাভার পৌরসভার পাকিজা মোড় এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কসংলগ্ন স্থানে পৃথক আরেকটি অভিযান চালিয়ে ৮০ বোতল নিষিদ্ধ ইস্কাপ সিরাপসহ মো. ইউসুফ আলী (২০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৪। উদ্ধার হওয়া সিরাপের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা।
র্যাবের দাবি, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত ওই অভিযানে ইউসুফ আলীকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জয়পুরহাট সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধভাবে ইস্কাপ সিরাপ সংগ্রহ করে সাভার, আশুলিয়া, ধামরাইসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের কথা স্বীকার করেছেন।
র্যাব জানিয়েছে, দুই ঘটনায় উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পলাতক অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং মাদক চোরাচালান ও কারবারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে বাহিনী।
Asian Barta