বুধবার ১৫ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | রাত ১১:০৩
আপডেট
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারে রিয়াদের দৌড়ঝাঁপ; ফতুল্লায় আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা ফেনীর মহিপালে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা তারেক রহমান :- গণভোটের চেয়ে আলুর ন্যায্যমূল্য গুরুত্বপূর্ণ শাহবাগে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের টিয়ারশেল নিক্ষেপ,আহত ১০ পানি খাওয়ার অজুহাতে ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে বেঁধে স্বর্ণালংকার লুট, আটক তরুন-তরুনি আরেকটা এক-এগারোর বন্দোবস্ত করার পাঁয়তারা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন ; নাহিদ ইসলাম দেশের ১৮ অঞ্চলে রাতের মধ্যেই হতে পারে ‘ঝড়’ ড. ইউনূসের পাশে দাঁড়াতে দেশে ফিরছেন পিনাকী-ইলিয়াস-কনক ভুয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিকে কেন্দ্র করে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান সেনাবাহিনীর ইউক্রেন - রাশিয়া যুদ্ধ: কিভাবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হতে পারে !
Home / আন্তর্জাতিক / পৃথিবীর ইতিহাসের বিশ্বের উষ্ণতম সপ্তাহ ছিল জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ

পৃথিবীর ইতিহাসের বিশ্বের উষ্ণতম সপ্তাহ ছিল জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ

এশিয়ান বার্তা ডেস্ক:- পৃথিবীজুড়েই জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রা। তীব্র দাবদাহে পুড়ছে বিশ্বের বিভিন্ন অংশ। এরই মধ্যে পৃথিবীর ইতিহাসের উষ্ণতম সপ্তাহ দেখেছে বিশ্ববাসী। চলতি মাসের অর্থাৎ, জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহটি ছিল বৈশ্বিক ইতিহাসের উষ্ণতম সপ্তাহ। আর চলতি বছরের জুন ছিল বৈশ্বিক উষ্ণতম মাস।

সোমবার (১০ জুলাই) বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) এ তথ্য জানিয়েছে। খবর এএফপির। এক বিবৃতিতে আজ ডব্লিউএমও বলছে, প্রাথমিক ডেটা অনুসারে, বিশ্বের উষ্ণতম সপ্তাহ ছিল জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ।

প্রতিবেদনে এএফপি জানিয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ‘এল নিনো’তে প্রবেশ করেছে বিশ্ব। এ ছাড়া চলতি বছরের জুন ছিল বৈশ্বিক উষ্ণতম মাস। স্প্যানিশ শব্দ এল নিনোর অর্থ হলো ‘লিটল বয়’ বা ‘ছোট ছেলে’। পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলীয় প্রশান্ত মহাসাগর এলাকায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উষ্ণতা যখন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে, তখন তাকে এল নিনো বলা হয়। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র, চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তীব্র দাবদাহ অনুভূত হয়। স্পেনে খরার দেখা দিয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ডেটা সংগ্রহ করা হচ্ছে বলেও বিবৃতিতে জানায় ডব্লিউএমও, বাস্তুসংস্থান ও পরিবেশের ওপর সম্ভাব্য বিধ্বংসী প্রভাবের সঙ্গে সঙ্গে ভূখণ্ড এবং সাগর উভয় ক্ষেত্রেই তাপমাত্রা আগের রেকর্ড ভেঙেছে। আমরা অজানা এক অঞ্চলে রয়েছি এবং এল নিনো আরও বিকশিত হচ্ছে।  আমরা আরও রেকর্ডের পতনের আশা করছি এবং এর প্রভাবগুলো ২০২৪ সাল পর্যন্ত সম্প্রসারিত হবে। এই খবরটি পৃথিবী নামক গ্রহের জন্য সুখবর নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*