
অনলাইন ডেস্ক :- সাভারের বংশী নদীর পাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর আবার তা দখল হয়ে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা দিতে ইউএনওকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১৮ জুলাই তাকে সশরীরে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জুন) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার বাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হাইকোর্ট বংশী নদীর জায়গা দখলমুক্ত করে সাভারের ইউএনওকে প্রতিবেদন দিতে বলেছিলেন। কিন্তু, তিনি প্রতিবেদন দাখিল করেননি, এমনকি নদীর জায়গা দখলমুক্ত করেননি। এ কারণে আমরা তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন করেছিলাম। আদালত সেই আবেদনের শুনানি নিয়ে সাভারের ইউএনওকে তলব করেছেন।
জানা গেছে, হাইকোর্টের নির্দেশে বংশী নদীর তীরে সাভার নামা বাজার অংশে ২০২২ সালের ২৮ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালানো হয়। চার দিনের এই অভিযানে ২৮৬ জন দখলদারের স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানে নদীর চার একর জায়গা এবং ৪০ শতাংশ খাস জমি দখলমুক্ত করা হয়। উচ্ছেদের তালিকার বাইরে আরও শতাধিক দখলদার রয়েছেন, যারা এখনও উচ্ছেদের আওতায় আসেননি। অথচ ২০১৫ সালে সাভার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছিল, বংশী নদীর তীরের সাভার নামা বাজার অংশে দখলদার রয়েছেন মাত্র ৬২ জন। প্রভাবশালীদের চাপ এবং আর্থিক সুবিধার কারণে অন্য দখলদারদের তথ্য গোপন করার অভিযোগ ওঠে।এ
দিকে জনবল নিয়ে অর্থ ব্যয় করে যে জায়গা দখলমুক্ত করা হয়েছিল, নজরদারি না থাকায় চার মাস না যেতেই সে জায়গা আবার দখল হয়ে যাচ্ছে।স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানায়, উচ্ছেদ তালিকায় দখলদার হিসেবে একাধিক জনপ্রতিনিধি এবং ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের নাম রয়েছে। মূলত, তাদের প্রভাবে নতুন করে দখল প্রক্রিয়া চলছে।