
এশিয়ান বার্তা ডেস্ক:- ঢাকার ধামরাই উপজেলায় গৃহবধূ রূপা আক্তারের মৃত্যুর প্রায় ছয় মাস পর আদালতের নির্দেশে কবর থেকে তার লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। রোববার বিকেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিদওয়ান আহমেদ রাফির উপস্থিতিতে রামভদ্রপাড়া এলাকার কবরস্থান থেকে লাশটি উত্তোলন করা হয়।
নিহত রূপা আক্তার (২৫) উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের আমড়াইল রাঙ্গাপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. জাকির হোসেনের স্ত্রী। গত বছরের ২৮ নভেম্বর রাতে বাইশাকান্দা বাগাইর এলাকার একটি টিনশেড বাসা থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শুরুতে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে ধরা হলেও পরে নিহতের পরিবার এটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি করে আদালতে মামলা দায়ের করে।মামলায় রূপার দেবর ও পুলিশ সদস্য শাওন হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
পরিবারের দাবি, শাওন হাসানের সঙ্গে রূপার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ঘটনার রাতে তাকে রূপার বাসায় যেতে দেখা গেছে বলেও স্থানীয়দের উদ্ধৃতি দিয়ে অভিযোগ করা হয়। পরে রূপাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, শিশুটি দাবি করেছে তার মাকে গলা টিপে ও রশি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।এ ঘটনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে নিহতের চার বছরের মেয়ে জিনিয়ার বক্তব্য।
ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত ও তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. খালেদ, ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. আকিব হোসেন, নিহতের স্বামী জাকির হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।