এশিয়ান বার্তা ডেস্ক:- হাটবাজার ইজারার দরপত্র চুরির অভিযোগে মাঝিড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নুরুজ্জামানকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে কেন তাঁকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না, জানতে চেয়ে নোটিশও দেওয়া হয়। শুক্রবার বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদা খানম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি গত ১৬ এপ্রিল পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ-১ শাখা থেকে সিনিয়র সহকারী সচিব জেসমীন প্রধানের স্বাক্ষরিত জারি করা প্রজ্ঞাপন থেকে বিষয়টি জেনেছেন।গত ২ মার্চ উপজেলা অডিটোরিয়ামে হাটের ইজারার জন্য প্রথম পর্যায়ের দরপত্র দাখিল ও উন্মুক্ত করা হয়।এ সময় জামাদারপুকুর হাটের একটি দরপত্র চুরি করেন ইউপি চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান। সবার সামনে থেকে দরপত্র চুরির ঘটনা ঘটলে ইউএনও সাইদা খানম ইউপি চেয়ারম্যানকে আটকে রেখে দ্রুত দরপত্রটি ফেরত দিতে চাপ প্রয়োগ করেন। চাপের মুখে নুরুজ্জামান মোবাইল ফোনে তাঁর সহযোগীদের দরপত্র ফেরত দিতে বলেন। কিন্তু তাঁরা দরপত্র ফেরত না দিয়ে কাহালু উপজেলা চেয়ারম্যান হাসিবুল হাসান সুরুজের নামে কেনা আরেকটি দরপত্র জমা দেন। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলার তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। ১০ কার্যদিবসের মধ্যে বগুড়া জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগে নোটিশ পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার এ আদেশের অনুলিপি হাতে পেয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদা খানম। বিষয়টি তিনি জেলা প্রশাসককে জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে কথা বলতে মাঝিড়া ইউপি চেয়ারম্যান নুরুজ্জামানের জানায়, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। দরপত্র সরিয়ে ছিলাম, তা জমা দিয়েছি।তবে সাময়িক বহিষ্কারের বিষয়টি তিনি জানেন না বলে জানান।