নিজস্ব প্রতিবেদক: দৈনিক কালবেলা পত্রিকায় প্রকাশিত “সরকারি জমিতে বহুতল ভবন সানভিউর” শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছে সানভিউ টাওয়ার্স কর্তৃপক্ষ। এক লিখিত বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম দাবি করেন, প্রকাশিত সংবাদে প্রকৃত তথ্যের প্রতিফলন ঘটেনি এবং এটি পাঠকদের বিভ্রান্ত করার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট জমির মালিকরা বৈধ দলিল, পর্চা, নামজারি ও নিয়মিত খাজনা পরিশোধের নথিসহ মালিকানার প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র উপস্থাপন করেছেন। অন্যদিকে ন্যাশনাল হাউজিং অথরিটি (এনএইচএ) দীর্ঘ সময় পেলেও জমিটির ওপর তাদের মালিকানা প্রতিষ্ঠার মতো কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ দেখাতে পারেনি।
সানভিউ টাওয়ার্সের দাবি, ২০২১ সালের ১০ মার্চ ভূমি মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় বিষয়টি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, ৩১২৪ দাগের মোট ১৪ দশমিক ৫৪ একর জমির মধ্যে ১ দশমিক ৬৫ একর ন্যাশনাল হাউজিং অথরিটির এবং অবশিষ্ট ১২ দশমিক ৮৯ একর সাধারণ মালিকদের। ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৈধ মালিকরা জমি ক্রয়-বিক্রয় এবং সরকারি বিধি অনুসারে খাজনা পরিশোধের অধিকার রাখেন।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, সানভিউ টাওয়ার্স কোনো বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নয়। সাধারণ ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যরা সম্মিলিতভাবে সরকারি নিয়ম মেনে ৬১ দশমিক ১৮ কাঠা জমি ক্রয় করে সেখানে ভবন নির্মাণ করছেন। জমির নামজারি সম্পন্ন হয়েছে এবং নিয়মিত সরকারি রাজস্বও পরিশোধ করা হচ্ছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া প্রতিবেদনে তিন একর সরকারি জমি দখলের যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে সানভিউ টাওয়ার্স। বিবৃতিতে বলা হয়, ন্যাশনাল হাউজিং অথরিটির জন্য নির্ধারিত জমির চেয়েও বেশি, প্রায় ২ দশমিক ৪১ একর জমি বর্তমানে তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফলে সানভিউ টাওয়ার্সের বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বিবৃতির শেষে দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ওপর গুরুত্বারোপ করে সানভিউ টাওয়ার্স কর্তৃপক্ষ ভবিষ্যতে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য এবং সরকারি নথিপত্র যাচাইয়ের আহ্বান জানায়।